Cash on Delivery Policy

ক্যাশ অন ডেলিভারিতে অর্ডার অনুমোদনের জন্য আমরা নিম্নবর্ণিত নিয়ম অনুসরণ করে থাকিঃ

১। পণ্যের মূল্য দশ হাজার টাকার বেশি হলে আপনাকে 10% কনফার্মেশন ডেপোজিট পরিশোধ করতে হবে। বকেয়া মূল্য ডেলিভারি নেয়ার সময় পরিশোধ করা যাবে।
👇
২। যেকোনো মূল্যের স্মার্টঘড়ি ও লেডিস ঘড়ির ক্ষেত্রেও আপনাকে 10% কনফার্মেশন ডেপোজিট পরিশোধ করতে হবে।
👇
৩। এমন কি পণ্যের মূল্য দশ হাজার টাকার কম হলেও আপনার আচরণ, ফোন রিসিভ করার হার, সিরিয়াসনেস, ঠিকানা, পেশা, বয়স, পূর্বেকার অর্ডার হিস্ট্রি প্রভৃতি বিবেচনায় নিয়ে আপনার কাছে 10% কনফার্মেশন ডেপোজিট অথবা পণ্য পাঠানো ও ফেরত আনার খরচ অথবা ভোটার আইডির কপি ও একজন গ্যারান্টরের নাম ও ফোন নাম্বার চাওয়া হতে পারে।
👇
৪। যেহেতু আমরা বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারের কোনো পণ্য বিক্রি করি না, এবং আমাদের সকল পণ্যের শিপমেন্ট পুকার তাইওয়ান, গুয়াংঝু, হংকং, ও সিঙ্গাপুর হাব থেকে সম্পন্ন করা হয়- তাই যেকোনো ভুয়া, খামখেয়ালি, ও হয়রানিমূলক অর্ডারকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়ে থাকি। যেকোনো অর্ডারকে ঝুঁকি মূল্যায়ন সাপেক্ষে বাতিলের ক্ষমতা পুকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
👇
৫। একটি পণ্য বাংলাদেশে পাঠাতে, কাস্টমস থেকে খালাস করতে, কাস্টমস থেকে বের হওয়ার পর এস এ পরিবহন বা সুন্দরবন কুরিয়ারে পাঠাতে যাবতীয় খরচ ডেলিভারির আগ পর্যন্ত আমাদের বহন করতে হয়। সুতরাং আপনি যেই হোন না কেন- আমরা যদি মনে করি যে 10% কনফার্মেশন ডেপোজিট না নিয়ে আপনাকে পণ্য পাঠালে পণ্যটি ফেরত আসার সম্ভাবনা আছে বা আপনি পণ্য পাঠানোর পর ফোন ধরবেন না বা আপনি ডেলিভারি না নেওয়ার জন্য টালবাহানা দেখাতে পারেন, সেক্ষত্রে আপনাকে অবশ্যই 10% মূল্য অগ্রীম পরিশোধ করে অর্ডারটির অনুমোদন নিতে হবে।
☑️
ক্ষেত্রবিশেষে কেন আমরা নূন্যতম 10% কনফার্মেশন ডেপোজিট চাই?
👇
প্রথমত, কোনো প্রকার অ্যাডভান্স পরিশোধ করা না থাকলে কাস্টমার দিনের বেলা অর্ডার কনফার্মড করে রাতের বেলা মত পাল্টাতে পারে, বা রাতের বেলা অর্ডার কনফার্মড করে দিনের বেলা মত পাল্টাতে পারে। এমন কি এ ব্যাপারটি আমাদেরকে জানানোরও প্রয়োজন বোধ করে না। অথচ পণ্য বাংলাদেশে পৌঁছার পর কাস্টমারের কথামতো তার নিকটস্থ এস এ পরিবহন শাখায় বা ডেলিভারি কুরিয়ারে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। পাঠানোর পর ফোন করলে বলে যে অর্ডারটা ক্যান্সেল করে দেন বা আমিতো ক্যান্সেল করেছি বা আমি তো অর্ডারই করি নাই, ইত্যাদি। এক পর্যায়ে কাস্টমার আর ফোন ধরেন না, অথবা ফোন ধরে আমাদের নাম শোনামাত্র ফোন কেটে দিয়ে থাকে। অনেক সময় বাজে ভাষায় গালাগালিও করে থাকে।
👇
দ্বিতীয়ত, কোনো প্রকার এডভান্স না করা থাকলে কাস্টমার ফোন ধরে বলবে কালকে নেব, পরশু নেব, এখানে পাঠান, সেখানে পাঠান, এভাবে চলতে থাকে। এক পর্যায়ে আর ফোন ধরবে না। ফলে পার্সেল ফেরত আসে। একটি পার্সেল পাঠাতে ১২০ থেকে ৩০০ টাকা খরচ হয়, ফেরত আসলে আরও ১২০ থেকে ৩০০ টাকা এস এ পরিবহন বা কুরিয়ার কোম্পানিকে পরিশোধ করতে হয়। এভাবে শুধু স্থানীয় কুরিয়ারেই একটি ভুয়া অর্ডারের কারণে আমদের ২৪০ টাকা থেকে ৬০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়। সেই সাথে কাস্টমস ট্যাক্স, শিপিং চার্জ, প্যাকেজিং খরচ, ও কর্মীদের পরিশ্রম তো আছেই।
👇
তৃতীয়ত, প্রায়ই দেখা যায় কাস্টমার অর্ডার করার পর বিদেশে চলে গেছেন। তার অনুপস্থিতিতে পণ্যটি কে রিসিভ করবে তার কোনো নির্দেশনাও দিয়ে যান না। এমতাবস্থায় আমাদেরকে আর্থিক ক্ষতি ও বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়।
👇
চতুর্থত, ঢাকার ভেতরের ক্ষেত্রে ইদানিং একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী ও অপহরণকারী চক্র সৃষ্টি হয়েছে যারা কাস্টমার সেজে ভুয়া ঠিকানা দিয়ে অনলাইনে অর্ডার করে থাকে। অর্ডার করার পর বলবে যে আমাকে হোম ডেলিভারি দিতে হবে। ডেলিভারিম্যান ডেলিভারি দিতে গেলে বলবে যে আপনি অমুক জায়গায় আসেন, তমুক রাস্তার পাশে আসেন, এবং যাওয়া মাত্রই ডেলিভারিম্যানকে কয়েকজন ঘিরে ধরে পণ্য নিয়ে পালিয়ে যায়। অনেক সময় ডেলিভারিম্যানকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি করে থাকে। এরকম একটি চক্রের চারজন সদস্যকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গত কয়েকমাস আগে গ্রেপ্তারও করেছে।
☑️
অনলাইনে ভুয়া, খামখেয়ালী, ও হয়রানিমূলক অর্ডার প্রতিরোধে আপনার সহযোগীতা কাম্য।